শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সন্ধায় র্যাব জানায়, মামলার এজাহারে জানা যায়, ভিকটিম একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নারী, যিনি প্রায়ই একা ঘোরাফেরা করতেন। এই সুযোগে গত ৩১ অক্টোবর বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে আসামি আমিনুল ইসলাম ওরফে আমুল (৫১) কৌশলে তাকে বিস্কুট কেনার প্রলোভন দেখিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় এবং সেখানে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে।কাউকে কিছু না বলার জন্য তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এছাড়া পূর্বেও বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ভিকটিমকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া যায়।
ঘটনার পর ভিকটিমের বড় ভাই বাদী হয়ে ৩ নভেম্বর সৈয়দপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত-২০০৩) এর ৯(১) ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।স্থানীয়রা মানববন্ধন করে দ্রুত আসামি গ্রেফতারের দাবি জানান।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং আসামিকে ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। আত্মগোপনে থাকা আসামিকে শনাক্ত করে ২০ নভেম্বর র্যাব-১৩, সিপিসি-২ নীলফামারী এবং র্যাব-৫, সিপিসি-৩ জয়পুরহাটের যৌথ দল জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল থানাধীন ফিরোজ নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে সফল অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারের পর আসামিকে আইনানুগ প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র্যাব জানায়, ধর্ষণ, অপহরণ, হত্যা, এমন সব অপরাধের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।