অফিস ডেস্ক
পলাশবাড়ী(গাইবান্ধা)প্রতিনিধিঃ-যুদ্ধের আগে বিবাহ হয়েছিল!স্বামীর নাম সাইবুদ্দিন। যুদ্ধের সময় স্বামী মারা যায় এক মেয়ে রেখে।বাবার বাড়ি ছিল দুবলা গাড়ি। মেয়ে জামাই আছে খুব একটা ভালো ইনকাম করে না।
মেয়ে মানুষের বাড়িতে কাজ করে!নিজস্ব বাড়িঘর না থাকায় কালুখালী গ্রামে আলমের বাড়িতে থাকি।
এখন পর্যন্ত কোন ভাতা,র কার্ড হয়নি।নেতা জনপ্রতিনিধিদের বলেও কোন কাজ হয়নি।তাই মাইনসের ধারে হাতপাতা ছাড়া কোনো উপায় নাই।মানুষে যা দেয় তাই দিয়ে চলি।
অশ্রুশিক্ত নয়নে কথাগুলো বলছিলেন পলাশবাড়ী পৌর সভার কালুগাড়ী গ্রামে বসবাসরত ৭০ বছর বয়সী আমেনা বেগম।
চরম দারিদ্র্য বা অক্ষমতার কারণে জীবনধারণের জন্য ভিক্ষার উপর নির্ভরশীল এবং এটি তাদের একমাত্র উপায়,বয়সের ভাড়ে নুইয়ে পড়া দেহ নিয়ে কাজকর্মের অক্ষমতায় বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে আমেনা বেগম। যা অত্যন্ত কঠিন জীবনযাত্রার প্রতিফলন।সমাজে অনেক অসহায় মানুষের বাস্তবতা, যারা কাজ করার চেষ্টা করেও সুযোগ না পেয়ে বা প্রতিবন্ধকতার কারণে ভিক্ষা করতে বাধ্য হন, যা তাদের আত্মমর্যাদাকে আঘাত করলেও পরিবারের মৌলিক চাহিদা মেটাতে অপরিহার্য হয়ে দাঁড়ায়।
অক্ষমতার কারণে ভিক্ষাবৃত্তি বেছে নিয়ে পলাশবাড়ী পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় আমেনা বেগম কে ভিক্ষাবৃত্তি করতে দেখা যায়।
এমতাবস্থায়,সরকারের যেকোনো ধরনের সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পৌর প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহোযোগিতা কামনা করেছেন বৃদ্ধা আমেনা বেগম।