ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রকল্পে বরিশালে চলছে অনিয়ম দুর্নীতি

অফিস ডেস্ক
প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ | সময়ঃ ০৮:০৯
photo

স্টাফ রিপোর্টার:- ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক "নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদ ভিক্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম" প্রকল্পে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

 

এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিভাগীয় কার্যালয় পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ফিল্ড সুপার ভাইজার আবদুল হান্নান।

 

জানতে চাইলে কৃষিবিদ মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, লিখিত আবেদনের সময় তিনি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন না। অন্য পরিচালক ছিলেন। তবে১৭ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাইয়ের সময় এক স্টাফ সমস্যার  বিষয় অবগত করে দেরিতে আসেছিলেন।  

 

i২০২৫ সালের ২২ সেপ্টম্বর প্রকল্পের ফিল্ড সুপার ভাইজার আবদুল হান্নান "মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার মডেল কেয়ার টেকার কর্তৃক শিক্ষকদের রুপালী ব্যাংকে একাউন্ড করা বাবদ বর্ধিত টাকা না নেয়ার অভিযোগ এনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিভাগীয় কার্যালয় পরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

 

অভিযোগে উল্লেখ থাকে- মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার মডেল কেয়ার মোঃ কামাল হোসেন অধিকাংশ শিক্ষকদের কাছ থেকে ২ থেকে ৪ শতাধিক টাকা বেশি নিয়েছে। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিক ফিল্ড অফিসারকে মৌখিকভাবে অবগত করলে তিনি সত্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দিলে ঘটনার তথ্য প্রমাণ মিলে।  

 

জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৭ তারিখ ডিসেম্বর বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলার মডেল কেয়ার টেকার এবং সুপার ভাইজারদের যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্পের নিয়মানুযায়ী যাচাই-বাছাইয়ে উপস্থিত হওয়ার চিঠি পাওয়ার পরেও কেউ অনুপস্থিত হলে সে বাতিল হবে গণ্য হবে। 

 

এ সময় কামাল হোসেনের অনুপস্থিত ছিল। যা ওই দিনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলেই প্রমাণ মিলবে।

 

বিশ্বস্ত এক সূত্র জানায়, কামাল হোসেন ব্যাংক হিসাব খোলার সময় শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ, ডাইরেক্টর কর্তৃক শোকজ এবং পানিসমেন্ট বদলি, পূনরায় শোকজ এবং দুই দিনের ছুটি নিয়ে একমাস অফিসের বিনা অনুমতিতে অফিসে অনুপস্থিত, যাচাই-বাছাইয়ে অনুপস্থিত হওয়ার ১১ দিন পরে উপস্থিত শিটে স্বাক্ষর নিয়ে রেজুলেশন তৈরি করা হয়েছে।

 

অভিযুক্ত মোঃ কামাল হোসেন বলেন, লিখিত অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে। আর ১৭ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাইয়ের সময় যেতে দেরি হয়েছে তা সত্য। তবে বিষয়টি আমি কর্তৃপক্ষকে অবগত করি এবং সন্ধ্যায় অফিসে উপস্থিত হই।

 

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জানুয়ারী মাসে চালু হওয়া এ প্রকল্পটি ২০৩০ সালের জুন মাসে শেষ হবে। আর বরিশাল জেলার অন্যান্য উপজেলায়ও অনিয়ম দুর্নীতি চলমান থাকলেও চাকুরী হারানোর ভয়ে মুখ খুলছে না অনেকে।

 

শেয়ার করুন