অফিস ডেস্ক
প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সময়ঃ ০৩:২৫
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি:-জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে বিএনপি প্রার্থী ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীমের বিরুদ্ধে প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালানো এবং জামায়াত প্রার্থী ও তার কর্মীদের হুমকির অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরিষাবাড়ী পৌরসভার আরামনগর বাজারের মণ্ডল মোড়ে অবস্থিত ১১ দলীয় জোট প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উক্ত আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১১ দলীয় জোট প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল আওয়াল।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সদস্য ফতেহ লোহানী, পিংনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, সহসভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান ছানোয়ার হোসেন ছানা, পোগলদিঘা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান সামস উদ্দিনসহ চিহ্নিত আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বিএনপি প্রার্থী প্রকাশ্যে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। এতে এলাকায় ভয়ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এসব ব্যক্তিকে আটক না করলে সুষ্ঠ নির্বাচন সম্ভব নয় বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন এলাকায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। ঋষিপল্লীতে সমাবেশ করায় এক হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া জামায়াতের কর্মী ও এজেন্টদের মোবাইল ফোনে এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে ১৩ তারিখের পর বাড়ী ছাড়া করা, চামড়া তুলে নেওয়া, হাত-পা ভেঙে দেওয়াসহ নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
অ্যাডভোকেট আব্দুল আওয়াল বলেন, আদ্রা বাজারে বিএনপি প্রার্থীর সরাসরি নির্দেশে দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একইভাবে বিভিন্ন এলাকায় অফিস নিতে বাধা প্রদান করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রকৃত ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো তালিকার বাইরে রেখে কিছু সাধারণ কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রতিকার এবং সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখনো কাঙ্ক্ষিত প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির জেলা সদস্য সচিব ডা. মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সাধারণ সম্পাদক মুফতি মোখলেছুর রহমান জমিরী, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ সুলতান মাহমুদ, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আছিমুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মুহাম্মদ মনির উদ্দীন, উপজেলা শূরা সদস্য অধ্যাপক শামীম হোসাইন সোহেল, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আখতারুজ্জামান সোহাগ,এনসিবির নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
© 71 Vision ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ অনুমতি ব্যতীত কোন সংবাদ বা ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করা যাবে না।